Poet

they, who repair, by their own rules, erode, sever like riversare the ones: the poets! nourish them with the ashes of childhoods past: dreams, salt, trails by fire, the poisoned fruit… school them on the austerity of stone, the poise of the grove, the silent ploy of corpses they are the ones: the poets! if …

রাজশাহী ২২.১/১৮

বহুক্ষণ তোমার সাথে কথা না হলে পাপ বাড়ে, মনে ভাবি বুঝি বুকপকেটে হাবিয়া তুলেছি! তখন ছিনতাই হয়েছিলো, সব টাকা নিয়ে নিল; ওরা যে কেনো এতো নোংরা হয়ে গেলো! এটিএম বুথ আর ডেবিট কার্ড পরস্পরকে মুগ্ধ করতে পারেনি, তাই এবেলা খাওয়াও হয়নি। এই তল্লাটে বোধহয় আমি একাই মাতাল। কেউ সাড়া দিচ্ছেনা,তবুও চায়ের দোকানদার, টহল পুলিশ, স্টেশনমাস্টার,ব্যস্ত …

Spiralling

Seated within myself with a piece of parchment without direction without any thought about why or what or when or how but… …Wondering whether Michael Jordan would approve if I stole his pumps to impress a platypus and induce… ..Hallucination amidst raindrops and cheetahs who feel subjugated by angry chauvinistic zebras calling them sexy and …

অব্যক্ত

আঁচলের খুঁটে জমিয়ে রাখি কত কথা সুনিকেত। গোধূলীর আবীর রঙে ভিজতে ভিজতে ঐ চোখে চেয়ে কতবার বলতে গিয়েও বলা হয় নি- বরং আঁচলের খুটে বেঁধে রেখেছি সে শব্দ,”ভালোবাসি!” শেষ বর্ষায় সাইকেলের চেইন লাগাতে থেমে পড়েছিলে যখন আঁচলভর্তি কদমে লাল হয়ে থাকা চিবুক চিৎকার করে বলেছিলো কিন্তু ফের তাকে গিঁট বেঁধে ফেলে রেখেছি আঁচলের কোনে, সেই …

Flight by Olga Tokarczuk

WHAT THE SHROUDED RUNAWAY WAS SAYING (CHAPTER 77)   টলো, চলতে থাকো, চলো। এটাই তার থেকে সরে যাবার একমাত্র পথ।  পৃথিবীর শাসনকর্তার আমাদের চলা থামানোর কোন ক্ষমতা নেই এবং এটাও জানে যে যখন আমাদের শরীর চলে তখন তা পবিত্র, আর শুধুমাত্র তখনই তার থেকে পালানো সম্ভব যখন চলন শুরু হয়।  সে স্থির ও হিম সবকিছুর …

বেওয়ারিশ

আমি আমার লাশটা কাঁধে নিয়ে হাঁটছি।এখানে কেউ আমাকে চেনেনা।একজন বাজারের ব্যাগ হাতে এসে কিছুক্ষণ তাকিয়ে থেকে দুঃখ করতে করতে চলে গেলো।আরেকজন হন্তদন্ত হয়ে ছুটে এসে বললো ‘পুলিশে খবর দিন কেউ!’একজন উৎসাহী সুরে বললো ‘বুকে কান পেতে দেখেন তো প্রাণ আছে কিনা।’এই বলতেই আরেকজন বললো ‘আরে এম্বুলেন্স খবর দিন কেউ, হাসপাতালে নিতে হবে’গুলিটা এসে বামদিকে লেগেছিলো, …

কবি

অবিরত নিজস্ব নিয়মে, একা একা যে ভাঙে নদীর মতো তাঁকে ‘কবি’ বলে ডাকো! খেতে দাও শৈশবের স্বপ্ন পোড়া ভস্ম, নুন,যাপিত আগুন,বিষাক্ত ফল…. আর শেখাও পাথরের কাঠিন্য, বৃক্ষের অপেক্ষা, মৃতদের ন্যায় শব্দহীন হবার কৌশল। তাঁকে ‘কবি’ নামে ডাকো! কক্ষনো শরীরে বন্ধনের সাঁকো দেখে জানতে চেয়ো না সে কেন আত্মঘাতী? সত্য যে, সে কোন যেকোন মানুষ নয়। …

দুঃস্বপ্নের সাড়ে তিন দশক

কেমন হতো যদি দেখতাম সাড়ে তিন দশক ধরে দু:স্বপ্নে আটকে আছি?  হুট করেই ঘুম ভেঙে নিজেকে আবিষ্কার করতাম আল্পস পর্বতমালার আশেপাশে তারপর নিজের পালকগুলোকে খুঁটে খুঁটে পরিষ্কার করে উড়াল দিতাম মেঘের উপর দিয়ে। ঘুরে ঘুরে আকাশে চক্কর কাটতে থাকতাম, আমার দৃষ্টি থাকত তীক্ষ্ণ ও স্বচ্ছ। তখন সহসা পেতাম না অমানুষ দেখতে  সংবাদপত্র পড়তে কিংবা বোকাবাক্সে …