জানোয়ার

আমি দাড়াইয়া ছিলাম বিছনার পাশে, জানালায় মাকড়সার জাল গুলা যেন ক্যানভাস, মরা মশার ছবি আঁকা। আমি দাঁড়াইয়া ছিলাম তোমার পাশে, হাতে মালা লইয়া! অনেক সময় গেলো, একদিন, দুইদিন- ৭৮ ঘন্টা হয়তো আরও বেশি সময়! এমন করিয়া ফুল গুলা শুকাই গেলো। বিছনায় কুকুরেরা ঘর করিল। দাঁড়াইয়া ছিলাম তোমার বিছনার পাশে- আর হাতের ফুল গুলা শুকাইয়া গেলো …

প্রেমের কবিতা

যা অলেখ্য তাও কি চেষ্টা- প্রতিবার সচকিত এক ঘর থেকে অন্যঘর আর পুরোনো কথাতে অনীহা যা সব হয়ে গিয়েছ, আগের দেশ। সেই কবিতা যে প্রতিটি দরজাকে ভাবে শেষ দরজা যেখানে সবকিছু ফিরে আসবে আবআর, আলাদা পরিচয়ে, দৃষ্টির প্রান্তে, পুনরায় বিছানো রবে যখন আবর্তিত হয়েছে অমোঘ সুন্দরে এক মুহূর্তে। যখন শোনা যায় আরও অন্য কবিতা লেখা …

ছায়াসঙ্গম

চুমুর আক্ষেপ নিয়ে কলিংবেল বাজাচ্ছি। নিয়ম মাফিক ভেতর থেকে ছোটবোন দরজা খুলে দিলো। মাঝে মাঝে মনে হয়, পৃথিবীতে কেবলমাত্র এই একটি কারনেই ছোটবোনদের জন্ম হওয়া উচিত। বড় ভাইদের একমাত্র ভরসার স্থল, সে যত দেরি করেই ঘরে ফিরুক না কেন কলিংবেলের আওয়াজ শুনে পৃথিবীর যাবতীয় কাজ ফেলে সোহাগী ছোট বোনটি এক দৌড়ে দরজা খুলে দেবে। যথারীতি …

আমি

চোখদুটো এতো সুন্দর লাগছে, মনে হচ্ছে: একা একটা সমুদ্র, যার কোন ভালোবাসার দরকার নেই, যার কাছে আকাশ ভীষণ তুচ্ছ! — Art: Last Year in Marienbad (1961)

অনিয়ম, তুমি এক মহামানবী

সম্বিত ফিরে পাওয়ার পর থেকে যা ছিলো তার সব কিছুই ক্ষমা, মেঘ, বৃষ্টি অথবা বর্ষা, ওরা সবকিছুরই উর্ধে থেকে যায়, বৃষ্টি হয়ে যায় বৃহন্নলার বারান্দায় তবু ভেজা হয়নি পুরো তিন-চারটে বছর। খুব ভোরকে যখন সকাল বলা হয়, সুর্যদেব তখনও আলো দেখতে পায় না, হাতড়ে হাতড়ে যতকালই সেকালের কাদামাটির গন্ধ নাক অবধি পৌছোয় না, আমাদের শরীর …

তোমার জন্য অপেক্ষা

তোমার জন্য অপেক্ষা আমার শাশ্বত অপেক্ষা যেভাবে তপোবনে তপস্যামগ্ন এক ঋষিকে ডেকেছিল মায়াবতী, প্রগাঢ় মমতায়, তোমাদের সভ্যতা তাকে ডেকেছিলো “ছলনাময়ী” সম্বোধনের খোদে, যে নারী প্রাণতুচ্ছ করে চেয়েছিল “ভালবাসা” তাকে করেছ উপেক্ষা, বলেছ “দাসী” হেসেছ “তাচ্ছিল্যে” তুমি এখনো খুজে চলেছ সীতা আর শুর্পণখায় প্রভেদ, যে নারী ভালবেসেছে তাকে ই বলেছ, মোহিনী, ছলনাময়ী, অথচ মাতৃত্ব চাও নি …

কবিতা ও শুকনো গোলাপ

আমি মুখ লুকাই কবিতার বুকে উষ্ণতার লোভে । অন্ধকার রাত্রিরে ডুবে যায়, আমি ডুবে যায় ছোট্ট শিশুর মতন সাগরের ঢেউয়ের তলে । আমি কবিতা খুঁজে বেড়ায় এই অন্ধকারে, রাত্রিরে কুকুর ডাকা কোন রাস্তার মোড়ে ।

মধ্যদুপুর

মধ্য দুপুরের সূর্যরা হয় পূর্ণ যৌবনা। কারো মনে সাধ জাগে মেঘের মলাটে নিজেকে লুকানোর, কেউ বা খুঁজে ফেরে গোধূলি লগ্ন, কারো হাতে এসে ভর করে পুরো রাজ্যের আকাশ। কেউ বা হতে চায়- নিভৃত রজনী আর কেউ বা একফালি বাঁকা চাঁদ । ক্ষণিকের চাঁদে যাদের মন ভরে না তাদের চাই ভরা জোছনা । হঠাৎ হঠাৎ কেউ …

Afternoon

When your fingers dug into my shoulder blades, Somehow I thought this could be a life. The bonsai in the verandah has grown, love; It’s been more than a year, and That afternoon was never going to end, From my name reaching your lips as a moan, To a muted television presenter standing witness As …