চুমুর আক্ষেপ নিয়ে কলিংবেল বাজাচ্ছি। নিয়ম মাফিক ভেতর থেকে ছোটবোন দরজা খুলে দিলো। মাঝে মাঝে মনে হয়, পৃথিবীতে কেবলমাত্র এই একটি কারনেই ছোটবোনদের জন্ম হওয়া উচিত। বড় ভাইদের একমাত্র ভরসার স্থল, সে যত দেরি করেই ঘরে ফিরুক না কেন কলিংবেলের আওয়াজ শুনে পৃথিবীর যাবতীয় কাজ ফেলে সোহাগী ছোট বোনটি এক দৌড়ে দরজা খুলে দেবে। যথারীতি …
বৈশাখ
এই বৈশাখে- তোমার ঐ দুধে-আলতা মুখে খয়েরী টিপ পড়বে বলেছিলে, কাচা সজনেডাঁটা শরীরে জড়াবে লাল পাড়ের জামদানি, যার আচলে থাকবে একশ নদীর নাম। আইলেস, লিপস্টিক আর একপায়ে পড়বে ঝুমকো লাগানো রুপোর নূপুর- হাত ভরা রঙ-বেরঙের চুড়ি আর চুড়ি! মরি মরি সুন্দরী, রুপ ভেবেই মুর্ছা যাই! মরার মন বোঝেনা- চেতনায় আছো, বাস্তবে নাই।
তোমার জন্য অপেক্ষা
তোমার জন্য অপেক্ষা আমার শাশ্বত অপেক্ষা যেভাবে তপোবনে তপস্যামগ্ন এক ঋষিকে ডেকেছিল মায়াবতী, প্রগাঢ় মমতায়, তোমাদের সভ্যতা তাকে ডেকেছিলো “ছলনাময়ী” সম্বোধনের খোদে, যে নারী প্রাণতুচ্ছ করে চেয়েছিল “ভালবাসা” তাকে করেছ উপেক্ষা, বলেছ “দাসী” হেসেছ “তাচ্ছিল্যে” তুমি এখনো খুজে চলেছ সীতা আর শুর্পণখায় প্রভেদ, যে নারী ভালবেসেছে তাকে ই বলেছ, মোহিনী, ছলনাময়ী, অথচ মাতৃত্ব চাও নি …
কবিতা ও শুকনো গোলাপ
আমি মুখ লুকাই কবিতার বুকে উষ্ণতার লোভে । অন্ধকার রাত্রিরে ডুবে যায়, আমি ডুবে যায় ছোট্ট শিশুর মতন সাগরের ঢেউয়ের তলে । আমি কবিতা খুঁজে বেড়ায় এই অন্ধকারে, রাত্রিরে কুকুর ডাকা কোন রাস্তার মোড়ে ।
মধ্যদুপুর
মধ্য দুপুরের সূর্যরা হয় পূর্ণ যৌবনা। কারো মনে সাধ জাগে মেঘের মলাটে নিজেকে লুকানোর, কেউ বা খুঁজে ফেরে গোধূলি লগ্ন, কারো হাতে এসে ভর করে পুরো রাজ্যের আকাশ। কেউ বা হতে চায়- নিভৃত রজনী আর কেউ বা একফালি বাঁকা চাঁদ । ক্ষণিকের চাঁদে যাদের মন ভরে না তাদের চাই ভরা জোছনা । হঠাৎ হঠাৎ কেউ …
ক্রান্তি
যারা মরে গেছে, বড় ভয়ে আছে তারা যারা বেঁচে আছে, বেঁচে থাকা মানুষেরা তারা আজ সার সার মৃতদেহ স্রেফ! মড়ক ও মারীর মহাযজ্ঞের বেলা আজ শিকারীর চোখে চোখ রেখেছে সন্ত্রস্ত শিকার.. ওদিকে, জনতা ও জীবনের নামে গার্গল করছে দুরনিয়ন্ত্রিত বুদ্ধিজীবি ক্লাসরুমে লোল ফেলছে রাজনৈতিক শিকারী কুকুর থিতানো রাত্রি, ঘুমঘুম পিচ- বিষিয়েছে নেশার্দ্র নেকড়ের পেচ্ছাপ সিফিলিসের …
Mourning Breath
Here I lay, with the dreams above my catch. Here I lay, before the rise of my sun. Here I lay, done against the odds. Here I lay, beneath the lightened Oak tree. But without the shadow of peace; Which was taken from the beauty. Laying here I think of the golden shine- Glittering snowflakes …
আলো-ছায়ার গল্প
এত কোলাহল ডাকে, সেই সুখমাখা ফাঁকে, আজ চারিদিকে জোনাকির আলো। আলো আজ ঢেকে দিলো, তাতে কালো চলে গেল? চেয়ে দেখো ছায়া ঠিকই পাশে ছিল। তবে আলোরই গল্প হয় ছায়া রেখে মেঝেতে, তার শুরু পদতলে হয়। মানে বুঝেছ কি তুমি শেষ হলে তার শুরু, তাই জোনাকি কি বিলাসিতা নয়? সেদিন ভেবে রেখেছো কি? গল্প কি হবে …
নারীর জন্য, যাকে ভালোবাসা ‘যন্ত্রণা’
তুমি কোন বেপরোয়া অশ্ব হয়ে ছুটে চলো আর সে চায় পোষ মানাতে। তুলনা করে অসম্ভব রাজপথ জ্বলন্ত ঘর এর কাছে, বলে তুমি তাকে অন্ধ করে দিচ্ছ যেন সে ছেড়ে যেতে না পারে, ভুলে না থাকে, যেকোনো কিছু কিন্তু তুমি; তুমি তাকে এলোমেলো করে দাও, অসহ্য! স্মৃতিগড়া’র সমস্ত নারীদের তুমি মুছে দিয়েছো, তাকে পূর্ণ করেছো, মোহিত …
সাকরাইন উৎসবে একদিন
”হ্যাপি সাকরাইন” দিয়ে এ বছর চমকে দিয়েছিল ফেসবুক কর্তৃপক্ষ। চার বন্ধু মিলে দুপুরেই চলে গিয়েছিলাম প্রথমবারের মত এই উৎসবে সামিল হতে। ওই দিন শাঁখারিবাজারে পা রাখতেও ছিল চমক। বাকাট্টা বাকাট্টা চিৎকারে ছেলে-বুড়ো সবার কেটে যাওয়া ঘুড়ি ধরার প্রতিযোগিতা সবখানে। আকাশে ঘুড়ি দোকানে ঘুড়ি, এ যেন ঘুড়ির রাজ্য। শাঁখারিবাজার তাঁতিবাজারসহ পুরান ঢাকার প্রায় সব এলাকাতেই সাকরাইন …
