জানোয়ার

আমি দাড়াইয়া ছিলাম বিছনার পাশে, জানালায় মাকড়সার জাল গুলা যেন ক্যানভাস, মরা মশার ছবি আঁকা। আমি দাঁড়াইয়া ছিলাম তোমার পাশে, হাতে মালা লইয়া! অনেক সময় গেলো, একদিন, দুইদিন- ৭৮ ঘন্টা হয়তো আরও বেশি সময়! এমন করিয়া ফুল গুলা শুকাই গেলো। বিছনায় কুকুরেরা ঘর করিল। দাঁড়াইয়া ছিলাম তোমার বিছনার পাশে- আর হাতের ফুল গুলা শুকাইয়া গেলো …

অনিয়ম, তুমি এক মহামানবী

সম্বিত ফিরে পাওয়ার পর থেকে যা ছিলো তার সব কিছুই ক্ষমা, মেঘ, বৃষ্টি অথবা বর্ষা, ওরা সবকিছুরই উর্ধে থেকে যায়, বৃষ্টি হয়ে যায় বৃহন্নলার বারান্দায় তবু ভেজা হয়নি পুরো তিন-চারটে বছর। খুব ভোরকে যখন সকাল বলা হয়, সুর্যদেব তখনও আলো দেখতে পায় না, হাতড়ে হাতড়ে যতকালই সেকালের কাদামাটির গন্ধ নাক অবধি পৌছোয় না, আমাদের শরীর …

বৈশাখ

এই বৈশাখে- তোমার ঐ দুধে-আলতা মুখে খয়েরী টিপ পড়বে বলেছিলে, কাচা সজনেডাঁটা শরীরে জড়াবে লাল পাড়ের জামদানি, যার আচলে থাকবে একশ নদীর নাম। আইলেস, লিপস্টিক আর একপায়ে পড়বে ঝুমকো লাগানো রুপোর নূপুর- হাত ভরা রঙ-বেরঙের চুড়ি আর চুড়ি! মরি মরি সুন্দরী, রুপ ভেবেই মুর্ছা যাই! মরার মন বোঝেনা- চেতনায় আছো, বাস্তবে নাই।

কবিতা ও শুকনো গোলাপ

আমি মুখ লুকাই কবিতার বুকে উষ্ণতার লোভে । অন্ধকার রাত্রিরে ডুবে যায়, আমি ডুবে যায় ছোট্ট শিশুর মতন সাগরের ঢেউয়ের তলে । আমি কবিতা খুঁজে বেড়ায় এই অন্ধকারে, রাত্রিরে কুকুর ডাকা কোন রাস্তার মোড়ে ।

ক্রান্তি

যারা মরে গেছে, বড় ভয়ে আছে তারা যারা বেঁচে আছে, বেঁচে থাকা মানুষেরা তারা আজ সার সার মৃতদেহ স্রেফ! মড়ক ও মারীর মহাযজ্ঞের বেলা আজ শিকারীর চোখে চোখ রেখেছে সন্ত্রস্ত শিকার.. ওদিকে, জনতা ও জীবনের নামে গার্গল করছে দুরনিয়ন্ত্রিত বুদ্ধিজীবি ক্লাসরুমে লোল ফেলছে রাজনৈতিক শিকারী কুকুর থিতানো রাত্রি, ঘুমঘুম পিচ- বিষিয়েছে নেশার্দ্র নেকড়ের পেচ্ছাপ সিফিলিসের …

বায়ুসখা

শিমুলের শাঁখে: এসব অতীত খুঁড়ে, ব্যবধান পুড়িয়ে কি হবে? এইসব স্মৃতি এখন কচুপাতায় মোড়ানো বর্ষাকাল কিংবা একটা মরা গাছের অস্ফুট চিৎকার, যে তার নাম ভুলে গ্যাছে, যাকে হত্যা করা হয়েছে কোজাগেরী রাতে, যাকে ভালোবাসি বলতে বলতে ছুরি চালিয়েছে ভালোবাসা: যে একটা ডোবায় পড়ে গিয়ে-মরে গিয়ে: ধূসরীত সান্ধ্যমালা কবিতায় লিখেছিল, যেখানে,প্রেমিকা তাকে ঠোট ভরা আগুন নিয়ে …

Mourning Breath

Here I lay, with the dreams above my catch. Here I lay, before the rise of my sun. Here I lay, done against the odds. Here I lay, beneath the lightened Oak tree. But without the shadow of peace; Which was taken from the beauty. Laying here I think of the golden shine- Glittering snowflakes …

সীমা-রেখা

দেশ থেকে দেশান্তর; জ্যামিতিক বিন্দুতে আঁকা- গাড় লক্ষন রেখা; শুধু আকাশটাই সীমাহীন! ভেসে আসা ভাষায় কোন ব্যাবধান বোধ করিনি; হাজার বছরের লালিত সংস্কার অভিনড়ব; একটি শরীরের মেরু বরাবর গেথে দেওয়া তারকাটা; অথচ, অন্তিম নিঃশ্বাস অবধি রক্ত প্রবাহ স্বাভাবিক! এভাবেই বেচে থাকা অনাদিকাল; সীমায় সীমায়িত বিন্দুর অসীম সঞ্চারপথ; দৃশ্যত বিভেদতলে বিমূর্ত হাতছানি; সময়ের সমীকরণে সম্পর্কগুলো হারিয়ে …

নারীর জন্য, যাকে ভালোবাসা ‘যন্ত্রণা’

তুমি কোন বেপরোয়া অশ্ব হয়ে ছুটে চলো আর সে চায় পোষ মানাতে। তুলনা করে অসম্ভব রাজপথ জ্বলন্ত ঘর এর কাছে, বলে তুমি তাকে অন্ধ করে দিচ্ছ যেন সে ছেড়ে যেতে না পারে, ভুলে না থাকে, যেকোনো কিছু কিন্তু তুমি; তুমি তাকে এলোমেলো করে দাও, অসহ্য! স্মৃতিগড়া’র সমস্ত নারীদের তুমি মুছে দিয়েছো, তাকে পূর্ণ করেছো, মোহিত …