SHESH LEKHA – THE OCEAN OF PEACE

1
The ocean of peace
Lies before the eyes.
O helmsman, set the boat afloat.
You are the companion ever,
Let your embrace be the shelter.
On the path of the Infinite
Shines the polestar bright.

O liberator,
On this long voyage, the lasting sustenance
Is your remission, your compassion.
Shatter all the mortal fetters.
In the embrace of the vast world,
May the fearless heart know
The Great Unknown.

December 7, 1939,
Punashch- Santiniketan.

12
On your birthday, at the festival of gifts,
The courtyard of this morning is a appropriately dressed.
The festival of giving by the ever-new
Is manifested in abundance in flower and leaves.
With you as the witness,
The nature examines its treasures every moment.
At the insistence of the destiny,
the donor and the donee are together today.
Wondering, the world poet blesses you.
In his poetry, you are implied
From the rain-washed sky of July.

Morning, July 13, 1941,
Udayan, Santiniketan.

11
I awoke on the banks of Rupnarayan
and realized that this life is not a dream.
I saw my own from in letters of blood
and realized myself through shocks and sorrows-
one after the other.
Truth is hard and difficult
and I have loved the hard and difficult
because it does not deceive or mislead.
This life is a penance of grief till death.
To secure the great value of truth
All the debt of death must be repaid.

3.15 a.m May 13, 1941
Udayan, Santiniketan

6
The Supreme Man arrives.
The sky, from one end to the other,
Is astir with expectation and awe
And so is every blade of grass in the dust of the earth.
In heaven, sounds the conch,
On the earth the drums of victory.
The moment of the great birth has arrived.
Today, the forts of the moonless night
have fallen to dust.
From the peak of the sunrise, rises the chant of ‘fear not”.
The promise of a new life.
The vast sky reverberates
With the victory song of the advent of Man.


সমুখে শান্তিপারাবার,
ভাসাও তরনী হে কর্ণধার।
তুমি হবে চিরসাথি,
লও লও হে ক্রোড় পাতি,
অসীমের পথে জ্বলিবে
জ্যোতি ধ্র“বতারকার।
মুক্তিদাতা, তোমার ক্ষমা, তোমার দয়া
হবে চিরপাথেয় চিরযাত্রার।
হয় যেন মর্তের বন্ধন ক্ষয়,
বিরাট বিশ্ব বাহু মেলি লয়,
পায় অন্তরে নির্ভয় পরিচয়
মহা-অজানার।
পুনশ্চ। শান্তিনিকেতন
৩ ডিসেম্বও ১৯৩৯
বেলা একটা

১২
তব জন্মদিবসের দানের উৎসবে
বিচিত্র সজ্জিত আজি এই
প্রভাতের উদয়-প্রঙ্গণ।
নবীনের দানসত্র কুসুমে পল­বে
অজস্র প্রচুর।
প্রর্কতি পরীক্ষা করি দেখে
ক্ষণে ক্ষণে আপন ভান্ডার,
তোমারে সন্মুখে রাখি পেল সে সুযোগ।
দাতা আর গ্রহীতার যে সংগম লাগি
বিধাতার নিত্যই আগ্রহ
আজি তা সার্থক হল,
বিশ্বকবি তাহারি বিস্ময়ে
তোমাওে করেন আশীর্বাদ-
তাঁর কবিত্বের তুমি সাক্ষীরুপে দিয়েছ দর্শন
বৃষ্টিধৌত শ্রাবণের
নির্মল আকাশে।
উদয়ন। শান্তিনিকেতন
১৩ জুলাই ১৯৪১
সকাল

১১
রুপ-নারানের কূলে
জেগে উঠিলাম,
জানিলাম এ জগৎ
স্বপ্ন নয়।
রক্তের অক্ষরে দেখিলাম
আপনার রূপ,
চিনিলাম আপনারে
আঘাতে আঘাতে
বেদনায় বেদনায়;
সত্য যে কঠিন,
কঠিনেওে ভালোবাসিলাম,
সে কখনো কওে না বঞ্জনা।
আমৃত্যুর দুঃখের মূল্য লাভ করিবাওে,
মৃত্যুতে সকল দেনা শোধ করে দিতে।
উদয়ন। শান্তিনিকেতন
১৩ মে ১৯৪১
রাত্রি ৩.১৫ মিনিট


ওই মহামানব আসে;
দিকে দিকে রোমাঞ্চ লাগে
মর্ত ধূলির ঘাসে ঘাসে।
সুরলোকে বেজে উঠে শঙ্খ,
নরলোকে বাজে জয়ডঙ্ক-
এল মহাজন্মেও লগ্ন।
আজি অমারাত্রির দুর্গতোরণ যত
ধূলিতলে হয়ে গেল ভগ্ন।
উদয়শিখওে জাগে মাভৈঃ মাভৈঃ রব।
নবজীবনের আশ্বাসে।
জয় জয় জয় রে মানব-অভ্যুদয়,
মন্দি উঠিল মহাকাশে।
উদয়ন। শান্তিনিকেতন
১ বৈশাখ ১৩৪৮

(Visited 58 times, 1 visits today)

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *